ভারত ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে শীঘ্রই নতুন দিল্লি এবং বেইজিংয়ের মধ্যে সরাসরি বিমান পরিষেবা চালু করা হতে পারে। এই উদ্যোগের ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য এবং পর্যটন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নতুন দিল্লি ও বেইজিংয়ের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট
দুই দেশের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চালু হলে যাত্রীদের যাতায়াত আরও সহজ ও দ্রুত হবে। বর্তমানে অনেক সময় সংযোগকারী (connecting) ফ্লাইটের ওপর নির্ভর করতে হয়, যা সময়সাপেক্ষ। নতুন এই পরিষেবা চালু হলে সময় ও খরচ—দুটোই কমবে।
বাণিজ্য ও পর্যটনে বড় সুবিধা
এছাড়া ব্যবসায়িক দিক থেকেও এটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ভারত ও চীনের মধ্যে বাণিজ্যিক লেনদেন আরও বাড়বে এবং ব্যবসায়ীরা সহজে এক দেশ থেকে অন্য দেশে যাতায়াত করতে পারবেন।
পর্যটন ক্ষেত্রেও বড় সুবিধা
পর্যটন ক্ষেত্রেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। দুই দেশের পর্যটকরা সরাসরি ফ্লাইটের মাধ্যমে সহজে ভ্রমণ করতে পারবেন, ফলে পর্যটনের সংখ্যা বাড়বে।
সরকারি পর্যায়ে এই বিষয়ে আলোচনা চলছে এবং খুব শিগগিরই এই পরিষেবা চালুর বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।
✈️ Air China resuming direct flights between Beijing & Delhi = more than just travel! 🛫🌏
— Yu Jing (@ChinaSpox_India) March 21, 2026
It's Trade 📦 Tourism 🏯🕌 Trust 🤝 — and a BIG green light 🟢 for SCO & BRICS people-to-people cooperation! 🇨🇳🤝🇮🇳 pic.twitter.com/E3sisBJdyb
পর্যটনে ক্ষেত্রে কি কি সুবিধা হবে
সরাসরি দিল্লি–বেইজিং ফ্লাইট চালু হলে পর্যটন খাতে বড় ধরনের সুবিধা পাওয়া যাবে, কারণ এতে দুই দেশের ভ্রমণ অনেক সহজ, দ্রুত ও সাশ্রয়ী হবে। আগে যেখানে ট্রানজিট ফ্লাইটের কারণে সময় বেশি লাগত ও ভ্রমণ জটিল ছিল, সেখানে সরাসরি ফ্লাইট পর্যটকদের জন্য ঝামেলাহীন অভিজ্ঞতা দেবে।
এর ফলে বেশি সংখ্যক ভারতীয় পর্যটক চীন ভ্রমণে আগ্রহী হবে এবং একইভাবে চীনা পর্যটকেরাও ভারতে সহজে আসতে পারবে। এতে হোটেল, গাইড, পরিবহনসহ পুরো ট্যুরিজম ইন্ডাস্ট্রি উপকৃত হবে এবং দুই দেশের সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানও বৃদ্ধি পাবে।

